নিঃসঙ্গতাকে ভুলে যাও

উপরের এই সবগুলো প্রশ্নের সাথে আমিও জড়িত ওতোপ্রতো ভাবে। এই সকল প্রশ্ন আমাকে প্রতিদিন, প্রতি সময়, প্রতি কাজে আটকে রাখে। আমি জানি এই সকল প্রশ্নের সাথে তুমি একটু হলেও পরিচিত।
প্রভু যীশু খ্রীষ্ট আমাদের পুরোপুরি স্বার্থহীন ভাবে ভালবাসে, যাকে এর প্রতিদান, উপহার দেওয়া লাগে না বা আমরা দেই না। এবং তার ভালবাসা স্বর্গীয়। তিনি সব সময় চান আমরা আমাদেরকে গ্রহন করি, নিজেকে সময় দেই ও ভালবাসি এবং নিজেকে তুচ্ছ না করে প্রাধান্য দেই। পৃথিবীর এমন মানুষ নেই যে এই ব্যক্তির সাথে পরিচিত না এবং অবশ্যই তার  কার্যাবলীর সাথে আমি যার কথা বলতে যাচ্ছি, সে হচ্ছে মিঃ শয়তান।
এই শয়তানের কিছু চাওয়া পাওয়া আমি আলোচনা করছি নিঃসঙ্গতার বিষয়ে-
শয়তান সব সময়ই চায় আমরা যেন তার দৃষ্টিভঙ্গিটিকে গ্রহন করি। আমরা ঈশ্বরের সন্তান তা যেন আমরা ভুলে যাই এটাই শয়তান চায়। একজন মানুষ যখন জাগতিক জীবনে কাউকে খুব বেশি প্রাধান্য দেওয়া শুরু করে তখন সেই মানুষটি তার প্রিয় ব্যক্তির প্রতি  আকৃষ্ট হয়ে পড়ে এবং ঈশ্বর, মা, বাবার থেকে সেই ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেয় বেশি। যা কিনা সহজ কথায় বলা যায় পুরোটাই মোহ। তাই বলে আমি বলবো না যে মানুষ মানুষকে ভালবাসবে না কিন্তু অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়। অতিরিক্ত কোন কিছুর ফল কি গড়ায়? যখন সেই ব্যক্তিটি অন্য কারো কাছে বদলি হয় তখন সেই মানুষটি অসহায় হয়ে পড়ে। তাকে ছাড়া কোনো কিছু চিন্তা করতে পারে না, অসহায় ভাবে নিজেকে। শুধু মাত্র কোন ব্যক্তির জন্য নয় বিভিন্ন কারনেই মানুষ নিজেকে নিঃস্ব ভাবে। আর শয়তান সেটাই চায়। শয়তান মানুষের মনে এমন ভাবে কাজ করে যে, মানুষ তাকে পৃথিবীর সব চেয়ে একা ভাবে, সে ভাবে সে সব কিছু হারিয়ে ফেলেছে। একটি নতুন সকাল দেখতে পাওয়ার আনন্দে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ না দিয়ে তার কষ্টের কথা পুনরায় মনে করে এবং নতুন আরো Painful দিন শুরু করে। নিজেকে অসুন্দর, অকর্মা, গুনহীন এবং গুরুত্বহীন ভাবে। আর তাই শয়তান চায় ও দূরে বসে হাত তালি দেয়। আমরা কি একবারও ভেবেছি যে ঈশ্বরের মনের অবস্থা তখন কি হয়? কত কষ্ট পান তিনি? আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু তথ্য দিলাম নিঃসজ্ঞতা সম্পর্কে যে কিভাবে তা ভুলতে পারিঃ-
তথ্য ১- নিঃসজ্ঞতা থেকে মুক্তি দেয় প্রভুর প্রেম।
তথ্য ২- তার বাক্য।
তথ্য ৩- প্রভুকে স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে।
তথ্য ৪- নিজেকে প্রাধান্য দেবার মাধ্যমে।
তথ্য ৫- নিজ লক্ষে এগিয়ে চলবার মাধ্যমে।
তথ্য ৬- প্রতি নিয়ত প্রার্থনা।
তথ্য ৭- নিজের সব কিছুতে সন্তুষ্ট থেকে।
তথ্য ৮- কোন ভাল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে ইত্যাদি।
সব শেষে খুব পরিচিত এবং সহজ এবং ছোট্ট একটা কথা যা আমরা অনেক বার শুনেছি কিন্তু এই কথাটি অনেক বড় একটি সমাধান দেয় সব কিছুর ক্ষেত্রে তা হলঃ “নিজেকে কখনই একা ভাববো না পৃথিবীর কেউ না থাক পাশে, সব সময়ের জন্য ঈশ্বর সদাপ্রভু আমাদের ঠিক পাশে থাকেন।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

নতুন লেখা

ঈশ্বর আপনার সঙ্গে চলছেন

https://www.youtube.com/watch?v=GhqCxrHrYvs আমরা এই সময়ে করোনার আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে আমরা বাংলাদেশে ভয়াবহ আম্পান ঝড়ের মোকাবেলা করলাম। করোনার এই...

গান বই -এর এন্ড্রয়েড এ্যাপ

গীর্জায় বা যে কোন ধর্মীয় সভায় বাইবেলের পাশাপাশি গান বই -এর কোন বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মে প্রায় সবার ফোনেই...

জেলখানা ও ভেঙে যাওয়া জাহাজ (পৌল)

পৌল যিরূশালেমে এসেছেন বেশী দিন হয় নি, কিন্তু এরই মধ্যে পৌলকে নিয়ে আরেকটি হুলস্থুল শুরু হয়ে যায়। যিহূদীরা ভেবেছিল...

পৌলের প্রচার যাত্রা

সিরিয়া দেশের আন্তিয়খিয়া শহরে অনেক লোক যীশু খ্রীষ্টকে বিশ্বাস করে খ্রীষ্টিয়ান হচ্ছিল। তাই সেখানে যীশুর বিষয় শিক্ষা দেবার জন্য...

পিতর ও কর্ণীলিয়

এদিকে পুরোহিতদের অত্যাচারে যারা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছিল পিতর তাদের কাছে গিয়ে দেখাশুনা করতে লাগলেন। তিনি যখন যীশুর বিষয়ে...

আপনার ভাল লাগতে পারেএকই লেখা
আপনার জন্য লেখা