জিজ্ঞাসা

যিহোবা সাক্ষী কি? তাদের বিশ্বাস কি?

যিহোবা স্বাক্ষী নামের এই বহুল পরিচিত দলটির শুরু হয় ১৮৭০ সালে পেন্সিলভেনিয়ার একটি বাইবেল ক্লাস থেকে। ক্লাসটি পরিচালনা করেছিলেন চার্লস টেজ রাসেল। রাসেল তার এই দলের নাম দিয়েছিলেন “মিলেনিয়াল ডন বাইবেল ষ্টাডি।” চার্লন টি. রাসেল একটি ধারাবাহিক বই লিখতে শুরু করেন, যার নাম “দা মিলেনিয়াল ডন,” তার মৃত্যুর আগে এই সিরিজের ৬টি বই তিনি লিখেছিলেন এবং এখনকার এই যিহোবা স্বাক্ষীর বেশিরভাগ থিওলজি এই বইয়ে লেখা হয়েছিল। ১৯১৬ সালে রাসেলের মৃত্যুর পর তার বন্ধু জাজ জে.এফ. রাদারফোর্ড “মিলেনিয়াল ডন” সিরিজের সপ্তম ও শেষ বইটি লেখেন ১৯১৭ সালে, যার নাম “দা ফিনিস্ড মিষ্টেরি।”

যিহোবা স্বাক্ষীদের বিশ্বাসঃ যিহোবা স্বাক্ষীদের বিভিন্ন ডকট্রিন প্রাথমিক ভাবে অন্যান্য খ্রীষ্টিয়ানদের মতই মনে হতে পারে, কিন্তু তা সম্পূর্ণভাবে এক নয়। যেমনঃ তারা যীশু খ্রীষ্টকে স্বর্গদূত মিখায়েল বলে বিশ্বাস করে। বাইবেলের অনেক বাক্যই এই বিশ্বাসকে বিরোধিতা করে, যা স্পষ্টভাবেই যীশুর ঈশ্বরত্বকে প্রকাশ করে (যোহন ১:১,১৪, ৮:৫৮, ১০:৩০)। যিহোবা স্বাক্ষীরা আরও বিশ্বাস করে বিশ্বাস, ভাল কাজ ও বাদ্ধতা, এই তিনটির সমন্বয়ে পরিত্রাণ আসে। এটাও বাইবেলের অনেক বাক্যকে অস্বীকার করে, যা স্পষ্টভাবেই বলে যে শুধুমাত্র বিশ্বাসের মাধ্যমেই পরিত্রাণ আসে (যোহন ৩:১৬, ইফিষীয় ২:৮-৯, তীত ৩:৫)। তারা তৃত্ববাদেও বিশ্বাস করে না, তারা বিশ্বাস করে যে যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যু আমাদের পাপের ক্ষমা পাবার জন্য নয় বরং আদমের পাপের ক্ষমা পাবার জন্য হয়েছে।

এই বিশ্বাসকে তারা সত্য প্রমান করার জন্য বাইবেলের বাক্য পরিবর্তন করে একটি নতুন বাইবেল তৈরী করেছে, যার নাম “নিউ ওয়ার্ল্ড ট্রান্সলেশন”।

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য লিখতে এখানে ক্লিক করুন